বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় রাজধানীর মিরপুরের দোকান মালিক সমিতির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা পেলেন করোনার টিকা। মিরপুরকে ৫টি কেন্দ্রে ভাগ করে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষকে দেয়া হয় সিনোভ্যাকের প্রথম ডোজ টিকা। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৫টি কেন্দ্রে একযোগে চলে টিকা প্রদান কর্মসূচী।
কেন্দ্রগুলো হলো শাহআলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, মিরপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, মিরপুর শপিং সেন্টার, শাহ্আলী প্লাজা এবং জান্নাত একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়। এসকল কেন্দ্রে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ৩৪ জন ভ্যাকসিনেটর ও ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক তাৎক্ষণিক রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা দেন এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। আঠারো বছরের বেশি বয়সী দোকান মালিক ও কর্মচারীরা তাৎক্ষণিক রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে গ্রহণ করেন করোনার প্রথম ডোজ টিকা।
মিরপুর শপিং সেন্টার কেন্দ্রে সকালে টিকা প্রদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার। এসময় তিনি বলেন, “সরকারের পর্যাপ্ত টিকা মজুদ রয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি গণটিকা প্রদানের মাধ্যমে দেশের সকল মানুষকে করোনার প্রথম ডোজ টিকার আওতায় আনতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।” আর সারাদেশে গণটিকা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আরো ভ্যাকসিনেটর ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সোসাইটির মহাসচিব কাজী শফিকুল আজম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা: মো. বেলাল হোসেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের পরিচালক ইমাম জাফর শিকদার, বাংলাদেশ দোকান-মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী।
কোকাকোলা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ দোকান-মালিক সমিতির উদ্যোগে রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকা প্রদান কর্মসূচী বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
উল্লেখ্য, দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে করোনা টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় গেলো ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের করোনা টিকা দেয়া শুরু হয়। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা সিভিল সার্জন অফিসের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সমগ্র ঢাকা শহরের দোকান মালিক সমিতির ব্যবসায়ী এবং কর্মচারী এই টিকার সুবিধা পাবেন।