এনডিইউবি ইন্টার-ডিপার্টমেন্ট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট। ফ্যান্টাসি কিংডম ও আল্টিমেট স্পোর্টসের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এক হাই-ভোল্টেজ ফাইনালে ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট ২ উইকেটে ল’ ডিপার্টমেন্টকে পরাজিত করে চতুর্থবারের মতো শিরোপা জিতে নেয়।টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ল’ ডিপার্টমেন্ট। তবে ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের পেসারদের কৌশলী ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ফর্মে থাকা ল’ ডিপার্টমেন্টের টপ অর্ডার ব্যাটাররা ব্যর্থ হন। শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। পরে সিয়ামের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ভর করে ল’ ডিপার্টমেন্ট ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের সামনে ১০৫ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়।লক্ষ্য তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায় ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট। এরপর অধিনায়ক নীল আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেন। তবে ভুল বোঝাবুঝিতে নাঈম রান আউট হলে ইংলিশ শিবিরে আবারও উইকেট পতনের মিছিল শুরু হয়। ম্যাচ যখন কঠিন পর্যায়ে, তখন টেলএন্ডার সাব্বির একপ্রান্ত আগলে রেখে নীলকে স্ট্রাইক দিয়ে খেলতে থাকেন।নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নীল একাই ইনিংস টেনে নেন এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন। টানটান উত্তেজনার শেষ ওভারে ১ বল হাতে রেখেই ছক্কা হাঁকিয়ে ২ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ২১ বলে ৬৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে নীল নির্বাচিত হন প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল।জয়ের পর উৎসবে মেতে ওঠে ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা। এর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে ২০২৬ সালের আসরের। টানা ৬ বার ফাইনাল খেলা এবং যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৪টি শিরোপা জিতে রেকর্ড বইয়ে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট।পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ইংলিশ ঈগলসের পাশে ছিল বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ গ্রুপ কনকর্ডের ফ্যান্টাসি কিংডম এবং লন্ডনভিত্তিক বাংলাদেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস অনলাইন ও ডিজিটাল নিউজ পোর্টাল আল্টিমেট স্পোর্টস। দলের এই সাফল্যের পেছনে বিভিন্ন সময়ে কোচ ও ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামী হোসেন চিশতী।