জাতীয় সংসদের গাইবান্ধা—৫ (সাঘাটা—ফুলছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন বলেছেন, উপরে আছেন আল্লাহ, পড়ে আছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এত বড় বন্যা ত্রানের কোনো অভাব নেই।
আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি ,পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। গাইবান্ধার সাঘাটায় ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গত সোমবার দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ১৫ মেট্রিক টন জি, আর, চাল ১৫ শত পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাইবান্ধা —৫ (সাঘাটা —ফুলছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন এসব কথা বলেন । বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সামশীল আরেফিন টিটু, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসাহাক আলী, ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম আহম্মেদ তুলিপ সহ আরো অনেকে ।
এদিকে, গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদীতে পানি কমছে, ফলে বন্যা কবলিত নিম্নাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের চিনির পটল গ্রামে নদী তীরবর্তী রাস্তাঘাট জেগে উঠেছে, পানি বেশিরভাগ বাড়ি ঘর উঠান থেকে নেমে গেছে বন্যার পানি, আঙিনায় কাঁদা দেখা গেছে। চলাফেরার ভোগান্তিতে রয়েছেন তারা, বন্যার পানি কমলে ও তাদের হাতে কাজকর্ম না থাকায় হতাশ আর দুঃখ চিন্তায় পড়েছে এলাকার পরিবারগুলো। বানভাসি দের দাবি আরো পর্যাপ্ত ত্রাণ দরকার। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় ২৩ সেন্টিমিটার কমে এখন বিপদ সীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ফিরোজ হোসেন বলেন,ঘুড়িদহ ইউনিয়নে সাড়ে ৫ হাজার বানভাসি পরিবারের মধ্যে, ১৫ শত পরিবারের মাঝে প্রত্যেকে ১০ কেজি করে ১৫ মেট্রিক টন জি, আর এর চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।
আবার বরাদ্দ পেলে বাকি বানভাসীদের দেওয়া হবে। ঘুড়িদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৯ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার পাল বলেন, সঠিক বানভাসির তালিকা করে স্লিপ বিতরণ করা হয়েছে। আবার ত্রান দিলে বাকিদের দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ নেতা রুোস্তম আলী বলেন, মাননীয় এমপির প্রতিনিধিগণ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সাথে অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রিলিফের স্লিপ বিতরণ করেছেন ।
পরে বানভাসিরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চাল উত্তোলন করেন। বানভাসি সবুরা বেগম, আজমি বেগম, গোলাম হোসেন, শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমাদের সব সময় খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং ইউপি সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণের স্লিপ দিয়েছেন। আমরা ১০ কেজি করে চাল পেয়েছি। এখন আমাদের হাতে কাজকর্ম নেই সরকারিভাবে আবার যদি ত্রাণ ও নগদ অর্থ সহায়তা করতো ভালো হতো।