স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পরিবর্তন হলেও ও পরিবর্তন হয়নি আওয়ামী লীগের দোসরদের এমনই সন্ধান পাওয়া গেছে রাজধানীর শ্যামপুর সাব রেজিস্টার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি , মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন মুন্সী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক হোসেন এরা দুজনে আওয়ামী লীগের দোসর ।
স্বৈরাচারী পলাতক শেখ হাসিনা সরকার থাকাকালীন সময় ঢাকা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা খানম এর ছত্রছায়ায় থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার এর মধ্য দিয়ে অনিয়মকে নিয়মের আয়তায় পরিণত করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ে এরা দুইজন এদিকে শ্যামপুর সাব রেজিস্টার এর অফিসের সাধারণ দলিল লেখকদের দাবি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বহু বিতর্কিত সভাপতি মফিজ উদ্দিন মুন্সী এবং ফারুক হোসেন সহ তাদের অপকর্মের সহযোগীর হাত থেকে রক্ষা পেতে অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন , সূত্রমতে জানা গেছে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মফিজ উদ্দিন মুন্সী এক বিশাল পারিবারিক সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছেন , শ্যামপুর সাব রেজিস্টার অফিসে , যেমন মজিবুর রহমান মুন্সী , তার চাচা , মোহাম্মদ সাগর চাচাতো ভাই মোহাম্মদ মতিন , চাচার সহকারী ,মোহাম্মদ মোশারফ বোনের জামাই , মোহাম্মদ রাজ্জাক মুন্সী চাচাতো ভাই, মোহাম্মদ রুবেল ভাগিনা, মোছাম্মৎ ইভা আক্তার, শালিকা মোসাম্মৎ শিমু আক্তার শালিকা , উক্ত সেন্টিগ্রেড, নিয়ন্ত্রণ করছে শ্যামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস , খোঁজ নিয়ে জানা যায় স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর মফিজ উদ্দিন মুন্সী ,ও ফারুক হোসেন, সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য সদস্য ফ্যাসিস্ট ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম এর ছত্র ছায়ায় থেকে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন ।
তারই ধারাবাহিকতায় শ্যামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখক সমিতি সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন তার নিজ গ্রাম রুপগঞ্জ থানাথীন কায়েত পাড়া ইউনিয়ন পশ্চিম গাঁও , কেওডালা ব্রিজের উত্তর পাশে সেখানে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে একটি আলিশান বাড়ি তৈরি করেন , এছাড়া তার রয়েছে জুরাইন এলাকায় ঢাকা মাওয়া মহাসড়কের পাশেই তিনটি বহুতলা ভবন , অন্যদিকে নামে বেনামে রয়েছেন অনেক সম্পদের মালিক । অন্যদিকে আরো জানা যায় সভাপতি মফিজুল আলম মুন্সি তিনিও নামে বেনামে সম্পদের গড়ে তুলেছেন,স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দলিল দাতা ও গৃহতাদের নানাভাবে জিম্মি করে কৌশল অবলম্বনে মধ্য দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বছরে কোটি কোটি টাকা ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে শ্যামপুর কদমতলী এলাকার কিছু নামধারী বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সাথে আতাত করে আওয়ামী লীগের সময় যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন ঠিক তেমনি , এখন সেই ভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন ।আওয়ামী লীগের দোসর মফিজ আলম মুন্সি এবং ফারুক হোসেন। সূত্রমতে আরো জানা গেছে প্রত্যেক দলিল দাতা ও দলিল গ্রহীতা কাছ থেকে মসজিদ ও মাদ্রাসার নাম করে প্রতি দলিল থেকে সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক চাঁদা আদায় করেন ।
সরজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রূপগঞ্জ থানাথীন পশ্চিম গাঁও , এলাকায় একটি টিন সেট মসজিদ ও মাদ্রাসার নির্মাণ করে । স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের দাবি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক সঠিক তদন্ত করে আওয়ামী লীগের দোসর মফিজ উদ্দিন মুন্সী ও ফারুক হোসেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন ও গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছেন।