অধ্যাপক ড. এ কে এম আখতার হোসেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো নির্বাচিত হলেন

বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস (বিএএস) গত ২৪ জুন, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত তাদের ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভায় অধ্যাপক ড. এ কে এম আখতার হোসেনকে ফেলো হিসেবে নির্বাচিত করেছেন । এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা পদার্থবিজ্ঞানে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং বাংলাদেশ ও এর বাইরে বৈজ্ঞানিক মেধাকে স্বীকৃতি দেয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ডিস্টিংগুইশড  অধ্যাপক ড. হোসেন ১৯৯৮ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় সুপারকন্ডাক্টর, ন্যানোস্ট্রাকচার্ড ফেরাইটস, ফেরোইলেক্ট্রিক্স, মাল্টিফেরোইকস, ডাইলিউটেড ম্যাগনেটিক সেমিকন্ডাক্টর, অপটোইলেক্ট্রনিক ম্যাটেরিয়ালস এবং ন্যানোক্রিস্টালাইন অ্যালয়। তিনি ১৩ জন পিএইচডি, ৪৭ জন এমফিল এবং ২৬ জন এমএসসি শিক্ষার্থীর থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন। বিভিন্ন স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর ১৩৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রফেসর হোসেন বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলিতে একটি উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা রেকর্ড সংগ্রহ করেছেন, যা তার গবেষণার ক্ষেত্রে একজন উদীয়মান গবেষক হিসাবে তার পাণ্ডিত্য নির্দেশ করে । তিনি আজ (১২ জুন ২০২৪) পর্যন্ত মোট ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর স্কোর ৪০৭, ৩৫৪৩টি সাইটেশন, এইচ-সূচক ৩৬ এবং আই ১০-সূচক ৮০ সহ চিত্তাকর্ষক মেট্রিক্স অর্জন করেছেন। বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের প্রতি তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং পরামর্শ, কেবল বিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেনি বরং গবেষকদের একটি নতুন প্রজন্মকে জ্ঞান এবং আবিষ্কারের সন্ধান শুরু করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রফেসর হোসেন বিভিন্ন কনফারেন্স, সেমিনার ও ওয়ার্কশপে বক্তৃতা  প্রদানের মাধ্যমে তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে থাকেন। জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে বেশ কয়েকবার আমন্ত্রিত হয়েছেন। তিনি বুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (২০০৯-২০১১) এবং বুয়েটের একটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট (২০১৪-২০১৮) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *