ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমদ ভ‚ঞা বলেন, পুলিশ সদস্য শহীদ এএসআই মোক্তাদির দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎস্বর্গ করেছেন, মোক্তাদির পুলিশ বাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য। আমরাও তার জন্য গর্বিত।

তিনি বলেন, মোক্তাদিরের পরিবারের পাশে পুলিশ বাহিনী সব সময় থাকবে। শহীদ এএসআই মোক্তাদিরের আতœার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়ায় অংশ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি এই কথা বলেন। ১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের আঙ্গাগাড়া গ্রামের বাড়ীতে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি মোক্তাদিরের কবর জিয়ারত, দোয়ায় অংশ গ্রহন ও মোক্তাদিরের ছেলে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মাহফুজ রহমান তনয়ের লেখা-পড়ার খরচের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজ্বী রফিকুল ইসলাম, গফরগাঁও সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরোজা নাজনিন, ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ, ভালুকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামুছল হক মনি, শহীদ এএসআই মোক্তাদিরের আপন বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম পিন্টু, জাকির হোসেন সিবলী, ইফতেখার আহমেদ সুজন, আহসানুল ইসলাম খান রাফি, নুরে আলম জিকু, রফিকুল ইসলাম নান্নু, প্রভাষক আতাউর রহমান কামাল প্রমুখ।

এএসআই মোহাম্মদ মোক্তাদির টুরিস্ট পুলিশে কর্মরত ছিলেন। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘাতের সময় ১৯ জুলাই সকালে তিনি বাসা থেকে বেরহয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তিনি যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় পৌঁছলে বিক্ষোভকারীরা তাকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করে, লাশ ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধারকরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। পরদিন ২১ জুলাই মোক্তাদিরকে আঙ্গারগাড়া গ্রামে নিজ বাড়ীতে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এএসআই মোক্তাদির (৪৮) আঙ্গারগাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে। ৭ ভাই ও ৪ বোনের মাঝে মোক্তাদির ৫ম। মোক্তাদিরের দুই সন্তান। বড় ছেলে মাহফুজ রহমান তনয় বেসরকারী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মেয়ে নালিহা তাবাসুম ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *