ময়মনসিংহের ভালুকায় হত্যা মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামী গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে রাত ১১.৩০ সময় গ্রেফতারকৃত আসামী মোহাম্মদ রবিন(২৩) এবং কবির হোসেন(৩৫) নিহত খালেদ সাইফুল্লাহ এর অটোরিকশা ভালুকা বাসস্ট্যান্ড থেকে রান্ধিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভাড়া করে। অত:পর রান্ধিয়া সাকিনস্থ মুন্সীবাড়ি ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছামাত্র কবির হোসেন(৩৫) নিহত খালেদ সাইফুল্লাহকে পেছন থেকে চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে।
আসামী মোহাম্মদ রবিন গাড়ি থামায় এবং নিহত খালেদ সাইফুল্লাহকে গাড়ি থেকে নামিয়ে রাস্তার পাশে ধরে রাখে। পরবর্তীতে আসামী কবির হোসেন (৩৫) আহত ভিকটিম খালেদ সাইফুল্লাহকে ছুরি দিয়ে পরপর বেশ কয়েকটি আঘাত করে এবং একপর্যায়ে গলায় ছুরিকাঘাত করে। ভিকটিকমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আসামীদ্বয় অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
 উল্লেখ্য যে, নিহত মো: খালেদ সাইফুল্লাহ (২৮) পেশায় একজন অটোরিকশা চালক।  সে ভালুকা থানাধীন কাঠালী পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি এলাকায় জনৈক জেসমিন আক্তারের বাসায় স্বপরিবারে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতো এবং ভালুকা বাজার ও এর আশেপাশের এলাকায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো।
উক্ত ক্লুলেস হত্যার ঘটনাটি ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট এবং অনলাইন ভিত্তিক মিডিয়ায় অধিকাংশ সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পর অজ্ঞাতনামা আসামীদ্বয় গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে র‍্যাব-১৪, সিপিএসসি কোম্পানীর একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ভোরে  ময়মনসিংহ গফরগাঁও থানাধীন সালটিয়া এলাকায় এবং ভালুকা থানাধীন ভান্ডাব এলাকায় দুটি অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোহাম্মদ রবিন(২৩), পিতা- মোহাম্মদ আজিম, এবং কবির হোসেন(৩৫),  পিতা- নুরুল ইসলাম কে গ্রেফতার ও
 ছিনতাইকৃত অটোরিকশার তিনটি ব্যাটারি উদ্ধার করে। আসামী এবং উদ্ধারকৃত আলামত ভালুকা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করে। র‍্যাব-১৪ এ ধরণের অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানায়।
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *