ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর এলাকার ভাদুঘরে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরপাড়া শেখবাড়ির শেখ দুলাল মিয়ার ছোট ছেলে শেখ নিহাত মিয়া ও রুস্তম গংয়ের ভাতিজি সাউদা বেগম শেখবাড়ি বয়লার মাঠে খেলা করতে গেলে নিহাত ও সাউদার সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নিহাতের মা তাকমিনা বেগম নেহাত কে নিয়ে আসেন শাসন করে এমতাবস্থায় নিহাদের বড় ভাই সিফাত বিষয়টি জানতে চাইলে রুস্তম, সোহরাব, বর্জু, নুরুল ইসলাম সিফাতকে ধরে শেখবাড়ি বয়লার মাঠে নিয়ে যায়, মাঠের মধ্যে নিয়ে কাঠ দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সিফাত মাটিকে লুটিয়ে পড়ে এরপরেও রুস্তম গংগের থ রুস্তম বলে এরে জবেহ কর এর রক্ত দিয়ে আমরা গোসল করবো, বাড়ির ভিতরে যেগুলো আছে ধরে আন সবগুলোকে কুত্তার মত মারতে হবে।
রুস্তম আরো বলে আমার অনেক সন্ত্রাসী বাহিনী আছে এমনকি অন্য এলাকা থেকে কিছু লোক নিয়ে আসে পরে এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে বিষয়টি জেনে ঐ লোকগুলো চলে যায়। সিফাতের চিৎকার শুনে লোকজন এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহত সিফাতের মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে জখমি সিফাত ও তার মা সাংবাদিকদের বলেন আমরা নিরীহ বলে এই ঘটনাটি তারা ঘটিয়েছে, আমরা রুস্তম গংদের বিচার চাই। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তা হীনতায় আছি। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় কয়েকজন কে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন সিফাতের মা তাকমিনা বেগম। আসামিগণ হলো, রুস্তম মিয়া, বরজু মিয়া, নুরুল ইসলাম, সোহরাব মিয়া, ও সালমা বেগম।