পাবনার সাঁথিয়ায় কোরবানি উপলক্ষে জমে উঠেছে মিয়াপুর- রসুলপুর পশুর হাট। ঈদ উপলক্ষে শনিবার ছিল উপজেলার শেষ পশুর হাট। এ হাটে সকাল থেকেই গরু মহিষ ও ছাগলে সয়লাব হয়ে পড়ে। ক্রেতার উপস্থিতির তুলনায় হাটে পশুর আমদানি ছিল বেশে। শেষ হাট হওয়ায পশু বিক্রয়ের উপর গুরুত্ব দেন বিক্রেতারা।
তাদেরকে ক্রেতাদের উপর নজর রাখতে দেখা গেছে। গরু বিক্রেতা নজরুল ইসলামকে দেখা গেছে ফেরি করে মালামাল বিক্রয়ের মত ক্রেতাদের ডাকতে। তিনি সস্তা দামে গরু বিক্রয় করবেন বলে ক্রেতাদের বিকট শব্দ করে ডাকছে। তিনি বলেন, ক্রেতা না আসায় সস্তায় গরু বিক্রয় করার জন্য ডাকা ডাকি করছি। পশুর বাজার কম বলে তিনি জানান। বাজার মূূল্যে পশু বিক্রয় করলে লোকসান যাবে বলেও তিনি বলেন।
পাবনার হরিনারায়নপুর থেকে পোষা গরু নিযে মিযাপুর হাটে এসেছেন বাবু। তিনি জানান হাটের সবচেয়ে বড় গরু তার। গরুটির ১২ মন গোস্ত হবে। তিনি গরুর দাম হাকিয়েছেন ৫ লক্ষ টাকা। ক্রেতা ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দাম বলেছে। বাবু জানান, চলতি বছরে যে পরিমান গো খাদ্যের দাম বেড়েছে তাতে গরু পালন করে লোকসান গুণতে হচ্ছে। উপজেলার বনগ্রামের দাইন জানান, গরুর বাজার কম হওয়ায় ক্রেতারা আরও কম দিয়ে পশু কিনতে চাচ্ছেন। তবে কোরবানির পশু কিনে খুশি ক্রেতারা।
শাহাজাহান ও আ: আলিম জানান, এ বছর কোরবািনর পশুর দাম স্বাভাবিক থাকায আমাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্য রয়েছে। দাম স্বাভাবিক হলেও অনেক ক্রেতায় আরও কমে পশু ক্রয়ের জন্য চেষ্টা করছে। তবে পশুর হাটে অসহ্যনীয় গরম থাকায়, হাঁসফাঁস উঠেছে ক্রেতা ও বিক্রেতার। ক্রেতারা গাছের নিচে ঘরের ভিতরে আরামে আশ্রয় নিলেও, বিপদে পড়েন বিক্রেতারা। তারা নিজেকে ও পশুকে রক্ষা করতে তাল পাখা ব্যবহার করছে।
এ দিকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাটে পুলিশী নজরদারি লক্ষ করা গেছে।
মিয়াপুর হাটের ইজারদার কন্দকার শামীম জানান, আজ এলাকার শেষ পশুর হাট। যারা কোরবানি দিবে, তাদেরকে অবশ্যই পশু কিনতে হবে। বিক্রেতাদেরো বাধ্য হয়ে বিক্রয় করতে হবে। সে ক্ষেত্রে আজ পশুর হাট জমতে শুরু করেছে।