নওগাঁর মহাদেবপুরে জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তিকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতভর জেলার বিভিন্ন জায়গা রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের কোতালী গ্রামের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান পুলিশ সুপার সফিউল সারোয়ার। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে জাহিদুল ইসলামকে জবাই করে হত্যার পর মৃতদেহটি পত্নীতলা থেকে একটি অটো চার্জার ভ্যানে করে মহাদেবপুর উপজেলার রাইগা ইউনিয়নের আরমান সরদারের জমির পাশে কালভার্টের নিচে পলিথিনে মোড়িয়ে ফেলে রেখে যায় আসামিরা।
পরে এবিষয়ে তার স্ত্রী থানায় মামলা করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। হত্যাকান্ডের মোড় ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য মৃতদেহটি পত্নীতলা থেকে একটি অটো চার্জার ভ্যানে করে মহাদেবপুরে এনে গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। এছড়াও আলামত ধধ্বংসের উদ্দেশ্যে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মহাদেবপুর থানাধীন চেরাগপুর ইউনিয়নের ধনজৈল গ্রামের মাঠের মধ্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর আসামিরা ভিকটিমের লাশ উদ্ধারসহ দাফন কাফন কাজে সক্রিয়ভাবে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেছে যাতে তাদেরকে কেউ সন্দেহ না করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা এই হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে প্রাথমিক। পূর্ব শত্রুতা এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। এর সাথে জড়িত অন্য আসামীদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, ফারজানা হোসেন, মহাদেবপুর থানার ওসি হাসমত আলীসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত