গাইবান্ধার সাঘাটায় টেপা পদুম শহর স্কুল বাজারে জজের বাড়ি সংলগ্ন একটি নতুন আরসিসি ব্রিজের সুফল পেতে শুরু করেছেন ৮ গ্রামের হাজারো মানুষ। নতুন এই ব্রিজের কল্যাণে বদলে গেছে টেপা পদুম শহর গ্রামের মানুষের আত্মসামাজিক চিত্র।
জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার পদুম শহর ইউনিয়নের টেপা পদুম শহর গ্রামের মধ্য দিয়ে ছুটে চলেছে আলাই নদী, সেই নদীর দুই পাড়ে রয়েছে, সাঘাটা উপজেলার টেপা পদুম শহর, চরপাড়া, মিয়া বাড়ি, মাঝ বাড়ি, প্রধান বাড়ি, স্কুল বাজার গ্রাম সহ ৮ টি গ্রামের হাজারও পরিবার।
এ সকল গ্রামের মানুষ যুগ যুগ ধরে বর্ষায় নৌকা, আর শুষ্ক মৌসুমে পা নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থায় আটকে ছিল। বিশেষ করে অসুবিধায় পড়তে হয়েছিল শিক্ষার্থীদের তারা নদীতে রেল সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতেন, অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। এসব দুর্দশা লাগবে মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সন্যাসদহ আলাই নদীতে গাইবান্ধা—৫ (সাঘাটা —ফুলছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নিজ প্রচেষ্টায় সাঘাটা উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের একটি ব্রিজ নির্মাণ করায়।
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর গাইবান্ধা বাস্তবায়নে ৬ কোটি ৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭২ মিটার দীর্ঘ আরসিসি ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে করে পিছিয়ে পড়া ৮ গ্রামের মানুষের জেলা শহর গাইবান্ধা সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। বর্ষাকাল এলেও এ সকল এলাকার মানুষের জন্য পরিবহন সুবিধা গড়ে উঠেছে। সেইসঙ্গে মানুষের আত্মসামাজিক ব্যবস্থা চিত্র বদলে গেছে।
এলাকাবাসী জানান, এ ব্রিজ নির্মাণ হওয়ায় আমাদের উপকার হয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদ সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন মহোদয় কে ধন্যবাদ জানাই। সাঘাটা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রকৌশল কর্মকর্তা নয়ন রায় জানান, এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে এই ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে।
এ ব্রিজটি নির্মাণ হওয়ায় বিশেষ করে, ছাত্র—ছাত্রীদের উপকার হয়েছে। এখন আর রেল ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হবে না। নির্ভয়ে ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন শিক্ষার্থী সহ সাধারণ জনগণ।