ময়মনসিংহের  ঈশ্বরগঞ্জে স্কুল ছাএী ধর্ষণের মুল অভিযুক্ত গ্রেফতার

ঘটনার বিবরনে জানাযায় বাদী মোছাঃ জায়েদা খাতুন(৫৫) এবং আসামী জহিরুল ইসলাম মনির প্রতিবেশি। ভিকটিম (১৫) সম্পর্কে বাদীর মেয়ের ঘরের নাতনি। ভিকটিম ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানাধীন উচাখিলা ইউনিয়নের হাঁসের আলগী গ্রামের অন্তর্গত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবু আকতার খান একাডেমীর দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মূল অভিযুক্ত  মোঃ জহিরুল ইসলাম মনির(২০) ভিকটিমের প্রতিবেশি হওয়ায় ভিকটিম‘কে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রতিনিয়তই প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

ভিকটিম বিবাদীর প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আসামি জহিরুল ভিকটিমকে স্কুলে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে উৎ পেতে থাকতো এবং কু-প্রস্তাব দিত। ভিকটিম উক্ত ঘটনার বিষয়ে তার পরিবারের লোকজনদের জানালে পরিবারের লোকজন আসামীর অভিভাবককে জানায়। কিন্তু আসামীর অভিভাবক উক্ত ঘটনার বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। গত ২৩/০৩/২০২৪ তারিখে রাত আনুমানিক  ০৯.০০ ঘটিকায় বাদী তারাবির নামাজ পড়ার সময় ভিকটিম ঘরের বাহিরে টিউবয়েল থেকে পানি আনতে বের হয়। সেই সুযোগে সেখানে উৎ পেতে থাকা আসামী জহিরুল ইসলাম মনির ভিকটিমের (১৫) নাক, মুখ চেপে ধরে পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

এই ধর্ষণের ঘটনায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের নানী মোছাঃ জায়েদা খাতুন(৫৫), স্বামী-জামাল উদ্দিন, সাং-হাঁসের আলগী, থানা-ঈশ্বরগঞ্জ, জেলা-ময়মনসিংহ বাদী হয়ে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
অধিনায়ক র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ মহোদয়ের নির্দেশে র‌্যাবের একটি দল ঘটনার বিষয়ে ছায়াতদন্তে নামে এবং আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায়, বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে
একটি যৌথাভিযানিক দল ইং ০৯/০৫/২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ১১.৩০ ঘটিকায়  নারায়নগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন জালকুঁড়ি খিরত আলী মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি  মোঃ জহিরুল ইসলাম মনির (২০) কে  গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ  থানায় হস্তান্তর করে। র‌্যাব-১৪ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *