রবিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানা প্রেসক্লাবে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্য সংবাদ সম্মেলন করেন মোঃ গোলাম হোসেন। এবং সামরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা জাতির বিবেক ও আয়না। আপনারা নিরীহ বঞ্চিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত, অসহায় মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি একজন হতভাগা আপনাদের মাধ্যমে ন্যায্য বিচার প্রার্থনা করছি।
আমি মোঃ গোলাম হোসেন, পিতা: মৃত: গোলাম মোস্তফা, সাং- নিবড়া, ইউপি- মূলগ্রাম, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে গোলাম হোসেন বলেন, আমার গ্রামের মামুন মিয়া ও সুমন মিয়া পিতা: মৃত: হেলাল উদ্দীন, আমার সাবেক ২৮৮, ২৮৭ দাগে মোট সাড়ে বত্রিশ শতক জায়গায় জোরপূর্বক রাস্তা নির্মান করার জন্য পায়তারা করে আসছে। আমি ২০১৯ সালে আদালতে দেওয়ানী মামলা করি। যাহার মামলা নং- দেঃ ৫৮/১৯, পরবর্তী আরজী দে: মোকদ্দমা নং- ৮০/২০২১ ইং মোকাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহকারী জজ আদালত।
উক্ত ব্যাক্তিগংদের এহেন আচরনে আমি প্রতিকারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার কসবা বরাবরে; ১১/০৯/২২ ইং, ২৩/০১/২৪ ইং, ৩০/০৪/২৪ ইং ও কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবরে- ১০/১১/১৯ ইং তারিখে অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বে ও কোন প্রতিকার না পেয়ে সম্মেলন করতে বাধ্য হলাম।
সাংবাদিক ভাইয়েরা।
আমি ও আমার পরিবারবর্গরা ভূমিদুস্যদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আমি ২ কন্যা ১ ছেলে নিয়া অতি মানবেতর জীবন জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছি। উক্ত ব্যাক্তিগন যে কোন সময়, আমাকে ও আমার পরিবারের লোকদের খুন, খারাপী সহ আমার ও আমার গংদের জায়গা জবর দখল করার হুমকী দিয়া আসিতেছে। আমি বংশ পরমপরা একশত বছরের অধিক জায়গা তোছরুপ করিয়া আমার নিজ দখলে বসবাস করিয়া আসিতেছি। আমারও আমার পরিবারের জায়গা সরকারী ভাবে পরিমাপ করে আমাকে বেঁচে থাকার জন্য প্রশাসন সহ মাননীয় আইনমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।
উক্ত ব্যাক্তিগংদের মুখোশ উম্মোচন করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। আপনারা দেশের কর্ণদ্বার, তাদের এহেন কার্যকলাপ দেশের পত্র/ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আমার ও আমার পরিবারের লোকদের ন্যায্য বিচার আদায়ে অসহায় বঞ্চিত ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ালে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।