ময়মনসিংহের ভালুকায় চাঞ্চল্যকর অটো রিক্সা চালক হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত অটো উদ্ধার। অটোরিক্সা চালক খালেদ সাইফুল্লাহ ময়মনসিংহ সদর ওয়ারলেস গেইট এলাকার উমর ফারুকের ছেলে। নিহত খালেদ সাইফুল্লাহ উপজেলার কাঠালী পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় জেসমিন আক্তারের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতো। এই ঘটনায় গ্রেফতার কৃত আসামীদের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার রান্ধিয়া গ্রামের মুন্সীবাড়ী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে ১৬ সেপ্টম্বর ভালুকা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১২। আসামী মো. রবিন (২৩) ও কবির হোসেন (৩৫) কে গ্রেফতার করে র্যাব-১৪। র্যাব আসামীদের থানায় হস্তান্তর করলে, ১৬ সেপ্টম্বর থানা পুলিশ আসামীদেরকে নিয়ে অভিযান করে আসামীদের দেখানো মতে পাগলা থানা এলাকা থেকে ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা এবং গফরগাঁও থানা এলাকা থেকে ১টি ব্যাটারী উদ্ধার করে।
র্যাব জানায়, ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা নিহত খালেদ সাইফুল্লাহর অটোরিকশা ভালুকা বাসস্ট্যান্ড থেকে রান্দিয়া যাওয়ার জন্য ভাড়া করে। পরে রান্দিয়া মুন্সীবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে আসামি কবির হোসেন (৩৫) নিহত খালেদ সাইফুল্লাহকে পেছন থেকে চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে। পরে আসামী মোহাম্মদ রবিন গাড়ি থামায় এবং নিহত খালেদ সাইফুল্লাহকে গাড়ি থেকে নামিয়ে রাস্তার পাশে ধরে রাখে।
পরবর্তীতে আসামি কবির হোসেন (৩৫) আহত খালেদ সাইফুল্লাহকে ছুরি দিয়ে পরপর বেশ কয়েকটি আঘাত করে। একপর্যায়ে গলায় ছুরিকাঘাত করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিরা অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, আসামীরা পরিকল্পিত ভাবে অটো ভাড়াকরে অটোচালককে হত্যাকরে টোরিক্সা ছিনতাই করে। আসামীদ্বয় হত্যার ঘটনা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। আসামীদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।