নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে উদ্ধার অভিযান। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরত-ই-খোদা এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত আর কোনো মরদেহ বা নিখোঁজের তথ্য পাইনি। আমরা মাইকিং করেছি, কিন্তু কেউ অভিযোগ করেনি।’
গত রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে এমভি আফসার উদ্দিন নামে লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। আড়াইটার দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর কয়লাঘাট এলাকায় রূপসী ৯ নামে একটি পণ্যবাহী কার্গো জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়। এ সময় নদীতে লাফিয়ে পড়ে সাঁতরে অধিকাংশ যাত্রী তীরে উঠলেও নিখোঁজ হন অন্তত ১৫ জন।
কুদরত-ই খোদা বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি। তাদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী এবং তিনজন শিশু।’
ফায়ার সার্ভিসের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজকে ফায়ার সার্ভিস থেকেও একটি কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত করে আমরা একটি সুপারিশমালা দেব।