লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
বুধবার (২ অক্টোবর) আছরের নামাজের পরে খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজির নেতৃত্বে জামিয়া নূরিয়ার সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানা প্রদক্ষিণ করে থানা সংলগ্ন চৌরাস্তায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা ইসরায়েলের পতাকায় অগ্নিসংযোগ করে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী সুলতান মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, প্রশিক্ষণ নাজেম মাওলানা ইলিয়াস মাদারীপুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি মোফাচ্ছির হোসাইন, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আবুল কাসেম কাসেমী, মাওলানা মাসউদুর রহমান প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, আগ্রাসী ইসরায়েলকে থামানোর একটাই উপায় তা হলো তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই। আমরা বাংলাদেশের সবাইকে আহ্বান জানাব এখন থেকে ইসরায়েলের সব পণ্য বয়কট করে চলতে হবে। আমরা চাই বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন ইসরায়েলি পণ্য ব্যবহার না করে। ইরাকে আমেরিকান আগ্রাসন ঠেকাতে আমরা যেমন জিহাদের জন্য প্রস্তুত ছিলাম ঠিক তেমনি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মুসলমান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্যও প্রস্তুত রয়েছে।
মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, ইসরায়েল বিশ্বের মধ্যে একটি বিষফোড়া। ইসরায়েল একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। ইসরায়েল চলে আমেরিকার অর্থে, আমেরিকার অস্ত্রে। ফিলিস্তিন ও লেবাননে আমাদের মুসলিম ভাইদের হত্যা করছে আমেরিকার গোলাবারুদ দিয়ে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। আমেরিকা যদি এই হত্যাকাণ্ড বন্ধে পদক্ষেপ না নেয় তাহলে আমরা ইসরায়েলি পণ্যের পাশাপাশি আমেরিকান পণ্যও বর্জন করতে বাধ্য হব।
মুফতি সুলতান মহিউদ্দীন বলেন, অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের মদদদাতা হচ্ছে আমেরিকা ও ইউরোপ। আমেরিকা মদদ না দিলে তারা গণহত্যা চালাতে পারত না। মুসলিম বিশ্বের উচিত হবে অবিলম্বে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা।