ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল্লাহ মিয়া ১০ জানুয়ারী ২০২১ সালে একই গ্রামের আলী হোসেনের কাছ থেকে ১২১৩ দাগে ৩ শতাংশ জায়গা ৩৫.০০০ টাকা দিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মৌখিক বায়না সূত্রে ক্রয় করেন।
প্রায় ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো দলিল রেজিস্ট্রি করে দেয়নি আদমপুর গ্রামের প্রতারক আলী হোসেন। দীর্ঘ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও আলি হোসেনের প্রতারণা দিনে দিন বেড়েই চলেছে। এ বিষয়ে ২০১৪ সালে আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া প্রতিবাদ করলে তার উপর আলী হোসেনের ভাইয়েরা মিলে অর্তকিত হামলা চালায় বলে জানান। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় সুমন মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন যার নাম্বার জি আর ১০৮/১৪ ইং।
সরেজমিনে গেলে সাংবাদিকদের সাথে আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া বলেন, আমার বাবা দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলো। এই জমি ক্রয়ের পরে বেশ কয়েকবার গ্রাম্য সালিশে আলি হোসেনের কাছে জমি দাবী করলেও দীর্ঘ ২৫ বছরেও জমি দলিল করে দেয়নি প্রতারক আলী হোসেন। সে আমাদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। সুমন মিয়া আরো বলেন,বাবা এই জায়গার শোকে বিদেশে স্টক করে মৃত্যুবরণ করেন।
এর পরেও প্রতারকের মন গলেনি। স্থানীয় সালিসকারক দুলাল মিয়া বলেন, এই জায়গার বিষয় নিয়ে আমরা বহুবার সালিশ করেছি, কিন্তু সে বলে জায়গা দিয়ে দিবে, কিন্তু সালিস শেষ হওয়ার পরে সে কথা দিয়ে কথা রাখেনি। তখনকার সালিশে অনেক লোকজন উপস্থিত ছিলেন, যারা আজ অনেকেই বেঁচে নেই।
জায়গার মালিক প্রতারক আলী হোসেনের কাছে বক্তব্য জানতে চাইলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আলী হোসেনের ভাই কালন মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন সাংবাদিকদের কে বলেন, জায়গা বিক্রি করেছে আমার ভাসির আলী হোসেন, এটা সত্য ঘটনা। তখন আমি বিয়ে হয়ে এই বাড়িতে নতুন এসেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত জায়গা কেন তাদের কে লিখে দেয়নি জানিনা।