পাবনার সাঁথিয়ায় আব্দুর রাজ্জাক (৬০) নামে এক গরু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষরা প্রতিহিংসায় মারপিট করে তাকে মেরে ফেলেছে।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে বেড়া উপজেলার চতুরহাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাজ্জাক সোনাতলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত রমজান সরদারের ছেলে।
গরু ব্যবসায়ী মোকছেদ ও স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে চতুরহাটে গরু কিনতে যান আব্দুল রাজ্জাক। সেখানে পূর্ব বিরোধের জেরে সাবেক চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা হারুন-অর- রশিদের সমর্থক ভাগিনা শহিদুল ইসলামের সাথে আঃ রাজ্জাকের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শহিদুল তার মামা রাজ্জাককে মারপিট করেন। মারপিটে আহত হলে তাকে উদ্ধার করে বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাজ্জাকের মেয়ে বলেন, আমার বাবা হারুন অর রশিদের নির্বাচন না করায় তার সন্ত্রাসী বাহিনীর দিয়ে আমার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই হত্যার বিচার চাই।
তিনি আরও জানান, কৃষক মতিন হত্যার পর থেকে দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলার সোনাতলা গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ ও বর্তমান চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের বিরোধ চলে আসছে। উভয় গ্রুপই এলাকায় সুযোগ বুঝে ব্যাপক লুটপাট করেছেন। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরেও ব্যাপক লুটপাট করা হয়েছে। আমার বাবা এ প্রতিহিসংার রাজনীতির স্বীকার হলো।
প্রকাশ এর আগে এ চতুর হাট থেকে তিন গরু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ ফাতেমা তুষ জান্নাত বলেন, আঃ রাজ্জাককে মৃত্যু অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃতু ঘোষণা করেন। তার ময়না তদন্ত করলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।
সাঁথিয়া থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। অভিযোগ পেলে তদন্তের রিপোর্ট আসার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।