শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ থেকে পালানোর পর সেনা প্রধানের ভাষণের পর চুয়াডাঙ্গায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ,লুটপাটসহ ত্রাসের ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে পুড়ে মারা গেছে চারজন। সোমবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলা জুড়ে এ ঘটনা ঘটে।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ও তার ছোট ভাই রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনের বাড়িতে, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ আলী আজগার টগরের বাড়িতে, সিআইপি ও আওয়ামী লীগ নেতা এবং ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীলিপ কুমার আগরওয়ালার রাজনৈতিক কার্যালয়ে, শিল্পপতি সিআইপি এম.এ. রাজ্জাক খানের বাড়িসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আরেফিন আলম রঞ্জুর বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিলে বাড়ির ভেতর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি চালানো হয়। ওই গুলিতে আহত হয়ে চারজন আগুনে পুড়ে মারা যায়। নিহতরা হলেন-আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেন ডিজে (২০) ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পুলিশ লাইন পাড়ার সাইদুর রহমানের ছেলে তাফিম (১৬)। অন্য দুই জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মো. রফিকুজ্জামান।
এ ঘটনার পর গোটা চুয়াডাঙ্গা জেলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরে লোকসমাগম কম রয়েছে।