সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে মুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর তিনটি ছবি প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নেভাল ফোর্সের অপারেশন আটলান্টা।
এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, অপারেশন আটলান্টার দুটি যুদ্ধজাহাজ এমভি আব্দুল্লাহকে পাহারা দিয়ে যাচ্ছে। সোমবার অপারেশন আটলান্টা তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, তারা বাণিজ্যিক জাহাজ ও এর ২৩ ক্রুর মুক্তি নিশ্চিত করেছে। ১২ মার্চ ছিনতাই হওয়ার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া জানায় অপারেশন আটলান্টা।
এরপর জলদস্যুদের হাতে ছিনতাই হওয়া জাহাজটির পিছু নেয়। ৩২ দিন ধরে অপারেশন আটলান্টা সক্রিয়ভাবে জাহাজটি পর্যবেক্ষণে রাখে। নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এমভি আব্দুল্লাহ সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে যায় জলদস্যুরা। সেখানে পৌঁছানোর পর বারবার জাহাজের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। ছিনতাইয়ের নয়দিনের মাথায় জলদস্যুদের সঙ্গে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে যোগাযোগ হয় জাহাজের মালিকপক্ষের। মুক্তিপণ নিয়ে দেন-দরবারের পর বাংলাদেশ সময় শনিবার রাতে জাহাজটি ও ক্রুরা মুক্ত হয়।
গত ১২ মার্চ এমভি আবদুল্লাহ মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে দুবাই যাওয়ার পথে সোমালি উপকূল থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে। গ্রেপ্তার ভুঁয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা হলেন, সদর উপজেলার নামোশংকরবাটি গ্রামের এনামুল হকের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম (৫৫) এবং তার সহযোগী নাচোল উপজেলার উত্তর মল্লিকপুর গ্রামের খলিল উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৫২)।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেকুর রহমান সরকার জানান, সিরাজুল নিজেকে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের ডাইরেক্টর পরিচয় দিয়ে ১০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার জন্য একটি ব্যাংকের শাখায় ম্যানেজার মো. আলমগীর হোসেনকে চাপ প্রয়োগ করেন। পরে সিরাজুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে ভুঁয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা বলে স্বীকার করেন। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি।