নারায়ণগঞ্জ জেলা ফতুল্লা থানা অন্তর্ভুক্ত কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড়সহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ও কথিত এই ভূমি কর্মকর্তা বৈষম্য ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময়ে নারায়নগন্জে সাবেক আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় বর্তমানেও ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
ফতুল্লা থানা কাশিপুর ভূমি অফিসে দৈনন্দিন স্হানীয় এলাকাবাসী জমি জমা খাঁজনা খাঁরিজ সহ জাল দলিল পাওয়া নামাসহ টাকার বিনিময়ে ছাড়া কাজ করেন নাহ ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোস্তফা।
স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরে গত ০৫ আগস্টে পড়ে আমেরিকা সহ পরিবারে পলাতক বাংলাদেশের আলোচিত ১০ মার্ডার গডফাদার ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের আশীর্বাদপুস্ঠ হয়ে দুর্নীতিবাজ কথিত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোস্তফা নারায়ণগঞ্জ কুলাঙ্গার বৈষম্য ছাএ জনতার আন্দোলনের প্রকাশ্য গুলীবর্ষনকারী শামীম ওসমানকে বিপুল পরিমাণ টাকার বিনিময়ে দুর্নীতি স্বজন প্রীতি ঘুষ বাণিজ্য করে মোস্তফা এখন কোটিপতি।
মোস্তফার সম্পদের পরিমাণ এ যেনো আলাউদ্দিনের চেরাগ এর কল্প-কাহিনীকে, হার মানায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে নারায়গঞ্জের ফতুল্লা কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত আছেন মোস্তফা। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠলেও অদৃশ্য ছায়া এখনও বহাল তবিয়তে চাকুরী করছেন কাশিপুর ভূমি অফিসে।স্থানীয় বাসিন্দা ভুঁক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, যে জায়গা খারিজ করতে বর্তমানে ১১০০ টাকা লাগে কিন্তু ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা সেখানে ২০০০০ টাকা হতে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়। শুধু তাই নয় টাকা নিয়েও কাজ করে দিতেও হয়রানি করে এই ভূমি কর্মকর্তা।
মাসের পর মাস ঘুরতে হয় এই ভূমি উপ সহকারী কাশিপুর ভূমি অফিসটা লুটেপুটে খাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমি বেশ কয়েকদিন আগে আমার একটা জমি খারিজ করতে আসছিলাম ১৪ শতাংশ জমির জন্য ২৩ হাজার টাকা চেয়েছে। পরে খারিজ না করে চলে যায়,ভূমি এই কর্মকর্তা মোস্তফাকে প্রায়ই অফিসে তাকে ঠিক সময় মতো পাওয়া যায়। কারন দুর্নীতি ঘুষের টাকার লোভে তিনি নিয়মিত অফিসে থাকেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, জমির খারিজ কিংবা খসড়া’র জন্য আসলে আগেই বলে একশ-দুইশ টাকা দাও। টাকা দিলে পরে কথা বলেন। ১৪৪/১৬৪ ধারা মামলার রিপোর্টের জন্য আসলে টাকা ছাড়া রিপোর্ট করে না।
তার অফিসে ভূমি উপ-সহকারী মোস্তফা টাকা ছাড়া বিকল্প কিছু বুঝেননা। কয়েক দিন আগেও আড়াই হাজার টাকার কাজ ৬ হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছেন।মোস্তফা বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নাই।ভূমি কর্মকর্তা মোস্তফা হাতে ফতুল্লা কাশিপুর ইউনিয়নের স্হানীয় মানুষ জিম্মি হয়ে আছে।
সরেজমিনে জানা যায়, মোস্তফা ভূমি সহকারী তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী হিসাবে ১৯৯০ সালে চাকুরীতে যোগদান করেন। ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক চাকুরিতে যোগদান করেন মোস্তফা এরপর থেকে ফুঁলে ফেঁপে বাড়তে থাকে মোস্তফা অর্থ সম্পদ। ভূমি কর্মকর্তা মোস্তফা নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
জানা যায়,তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মোস্তফা দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন সময়ে চাকুরীতে লাঞ্ছিতো বঞ্ছনা শিকার হয়েছেন ভূমি কর্মকর্তা মোস্তফা।
সরেজমিনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূমি অফিসে এক কর্মকর্তা জানান,ভূমি কর্মকর্তা মোস্তফা তার পারিবার নিয়ে আর্থিক অনটনের মধ্যেই পরিবার চালাছিলো পড়ে চাকুরীতে যোগদানের বছরের ঘুরতেই অবৈধ ভাবে গড়া অর্থের মালিক হতে থাকেন। এরপর মোস্তফাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কোন রকম পরিবারের থেকে উঠে আসা মোস্তফা গড়ে তোলেন কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নামে বেনামে একাধিক স্হাপনা।
এরমধ্যে মোস্তফা বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে নানা ধরনের অনিয়মের, ভূমি উন্নয়ন কর, দাখিলা, মিউটিশন,হাতে কলমে লিখে জাঁল পঁর্চা ও তদন্তদের নাম করে সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে নিচ্ছেন মোটা অংকের ঘুষ।
কথিত এই ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা গড়েছেন বিপুল সম্পদের পাহাড়, একজন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তার গল্পটা শুনলে মনে হবেনা, যে তিনি তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। দালান কোঠা অট্টালিকা দেখে মনে হবে তিনি এ দেশের একজন শিল্পপতি। বর্তমানে বিলাস বহুল ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরী করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বন্দর এলাকায়। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর দেশে অন্তবর্তী সরকার গঠনে ভূমিকা পালনে এসব অভিযোগকারী অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ ভূমি ইউনিয়ন উপ সহকারী কর্মকর্তা মোস্তফাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওয়তা আনা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি এবং বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।